ছাত্রদল নেতার নিবন্ধনহীন মোটরসাইকেল আটক, এসপি কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ
চাঁপাইনবাবগঞ্জে জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আক্তারুজ্জামানের মোটরসাইকেল আটকের ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুলিশ সুপারের (এসপি) কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ করেছেন সংগঠনটির নেতা-কর্মীরা।
সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে তাঁরা এসপি কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেন। পরে পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা শেষে রাত সাড়ে ৮টার দিকে সেখান থেকে চলে যান।
নিউমার্কেট এলাকায় মোটরসাইকেল আটক
এর আগে বিকেলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের নিউমার্কেট এলাকায় নিয়মিত তল্লাশির সময় আক্তারুজ্জামানের মোটরসাইকেল থামায় ট্রাফিক পুলিশ।
পুলিশের দাবি, মোটরসাইকেলটির নিবন্ধন ছিল না এবং ওই সময় আক্তারুজ্জামানের মাথায় হেলমেটও ছিল না। পুলিশ তাঁর মোটরসাইকেলের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স দেখতে চাইলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
পুলিশের এক সদস্য মোটরসাইকেলের চাবি নিয়ে নেন। পরে আক্তারুজ্জামান মুঠোফোনে ভিডিও ধারণের চেষ্টা করলে তাঁর ফোনও নেওয়া হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
‘কাগজপত্র ছিল’, দাবি ছাত্রদল নেতার
আক্তারুজ্জামানের দাবি, তাঁর মোটরসাইকেলের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছিল এবং তিনি পুলিশকে সেগুলো দেখানোর পরও মোটরসাইকেলটি আটক করা হয়।
তিনি বলেন, পুলিশের কাছে নিজের সাংগঠনিক পরিচয় দেননি; বরং মামলা দিতে বলেছিলেন। তাঁর সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হয়েছে এবং কথা বলার সময় মুঠোফোন কেড়ে নেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা পুলিশ সুপারের কাছে অভিযোগ জানাতে সেখানে যান বলে জানান আক্তারুজ্জামান।
পুলিশের বক্তব্য
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এন এম ওয়াসিম ফিরোজ বলেন, আক্তারুজ্জামানের মোটরসাইকেলের কাগজপত্র ছিল না। নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে ট্রাফিক পুলিশের সদস্যরা মোটরসাইকেলটি থামিয়েছিলেন।
তিনি জানান, এ সময় পুলিশের সঙ্গে আক্তারুজ্জামানের বাগ্বিতণ্ডা হয় এবং পরে মোটরসাইকেলটি আটক করা হয়। এর প্রতিবাদে ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা এসপি কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেন।
পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, মোটরসাইকেলের নিবন্ধন না থাকায় মামলা করা হয়েছে। পরে মোটরসাইকেলটি ফেরত দেওয়া হয়।
৩৭৭ ধারা কার্যকরের দাবি ৬০০ আলেমের
৬ ঘন্টা আগে