হঠাৎ ফারুকীর স্টাটাস : অজগর সাপকে জড়িয়ে ধরে শুয়ে থাকার মতো অবস্থা
সাবেক সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী মনে করেন, বুদ্ধিবৃত্তিক কারখানা ছাড়া ফ্যাসিবাদ জন্ম নিতে পারে না। বাংলাদেশে এই বুদ্ধিবৃত্তিক অপরাধকে এখনো গুরুত্ব দিয়ে দেখা হয়নি বলে তিনি দাবি করেন। তাঁর মতে, অপরাধকে মোকাবিলা না করে সামাজিক আপস বা ‘রিকনসিলিয়েশন’ করার চেষ্টা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।
ফ্যাসিবাদ ও বুদ্ধিবৃত্তিক অপরাধ
ফারুকী তাঁর পোস্টে লেখেন, “কনসেন্ট ম্যানুফ্যাকচার করার ইনটেলেকচুয়াল কারখানা ছাড়া ফ্যাসিজম জন্ম এবং বিস্তার লাভ করতে পারে না। দুর্ভাগ্যবশত বাংলাদেশে এই ক্রাইমটাকে অ্যাড্রেস করা হয়নি।” অপরাধের এই দিকটি এড়িয়ে রিকনসিলিয়েশন করাকে তিনি ‘অজগর সাপকে জড়িয়ে ধরে শুয়ে থাকার’ সাথে তুলনা করেছেন।
অপরাধ স্বীকারের প্রয়োজনীয়তা
রিকনসিলিয়েশন বা পুনর্মিলনের প্রয়োজনীয়তা স্বীকার করলেও তিনি শর্ত জুড়ে দিয়েছেন। ফারুকীর মতে, এর শুরু হতে হবে অপরাধ স্বীকারের মধ্য দিয়ে। তিনি বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, বর্তমানে অনেককে দেখে মনে হয় ১৬ বছর যেন কোনো অপরাধই হয়নি, বরং ‘গণঅভ্যুত্থান’ নিজেই একটা অপরাধ।
৭১ ও ২৪-এর রেড লাইন
ইতিহাসের দুটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়কে ‘রেড লাইন’ হিসেবে চিহ্নিত করে ফারুকী বলেন:
-
১৯৭১ সাল একটি বড় রেড লাইন।
-
২০২৪ সাল আরেকটি রেড লাইন।
তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “৭১ বাদ দিলে বাংলাদেশে ২৪-য়ের মতো এতো বড় ঘটনা আর ঘটে নাই। ফলে রেড লাইন ক্রস করার আগে সবার একবার ভাবা উচিত।”
সবশেষে ফারুকী মনে করিয়ে দেন যে আমরা এখন ‘পোস্ট-আপরাইজিং’ বা অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে আছি এবং এটি কোনো স্বাভাবিক সময় নয়। তিনি সতর্ক করেন যে, অপরাধী ও উসকানিদাতাদের চিহ্নিত না করে স্বাভাবিকীকরণের চেষ্টা হিতে বিপরীত হতে পারে।
অনুরূপ সংবাদ
ইসলামী ব্যাংক নিয়ে ষড়যন্ত্র চলছে : গোলাম পরওয়ার
নাসীরুদ্দীন ইস্যুতে জামায়াত-শিবিরের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ রাশেদ খাঁনের
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‘প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ড মধ্যযুগীয়’ মন্তব্যের প্রতিবাদ গোলাম পরওয়ারের